Batik Art Is Like The Pride Of The Artist's Art And Tradition.

in LifeStyle6 months ago

image.png
Image Source

মানুষ বরাবরই সুন্দরের পূজারী। সুন্দরের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরন্তন। রং ও নকশার ব্যবহারের মাধ্যমেই মানুষ চেষ্টা করে সেই সৌন্দর্যের ভাব প্রকাশ করতে।

আর বাটিক হলো সেই সৌন্দর্য যা মানুষ রঙ ও নকশার মিশেলে তৈরি থাকেন। বাটিক অতি প্রাচীন একটি শিল্প। বাটিকের ছাপা বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই ব্যাপকভাবে প্রচলিত এবং সর্বত্রই এটি ব্যাপক সমাদৃত। ভারতীয় উপকূল অঞ্চলে সর্ব প্রথম এই বাটিক শিল্পের জন্ম এবং গত শতাব্দীর ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে এর গোড়াপত্তন শুরু হয়।

শুরু থেকেই বাংলাদেশে বাটিক হস্ত ও কারুশিল্প হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় এবং এর জনপ্রিয়তা ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সমান রয়েছে বরং দিন দিন তা বেড়েই চলছে। বাঙালিদের মধ্যে বাটিক শিল্পের যে চাহিদা রয়েছে, তার পেছনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনিই ইংরেজ শাসনের শেষ দিকে বাঙালিদের এই শিল্পের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে সমর্থ হন।

বর্তমানে বাটিকের কাপড় খুবই জনপ্রিয় ও হালের ফ্যাশনে বাটিক প্রিন্টের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। বাটিক কাপড় অনেক আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল তাই সকলের মনে সহজেই স্হান করে নিয়েছে। যেমন বাটিকের শাড়ি কথা ধরা যায়! বাটিকের শাড়ি যেমন পড়তে পারেন প্রতিদিনের প্রয়োজনে, তেমনি পড়তে পারেন উৎসব-অনুষ্ঠানেও। বিশেষ করে বাটিক প্রিন্টের সিল্কের শাড়ি আপনাকে অনায়াসেই করে তুলবে অতুলনীয়। সেই সাথে বাটিকের সালোয়ার -কামিজ-ওরনাতে বাটিকের অনবদ্য কাজ পোশাকে এনে দেয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া।

বাটিক কাপড়েরের মধ্যে রয়েছে নানান ভিন্নতা, তন্মধ্যে কুমিল্লার বাটিকের স্থান বরাবরই অনেক উচ্চ পর্যায়ে। কুমিল্লায় যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই বাটিক কাপড় তৈরি করা হয় সম্পূর্ণ হাতে। কাঠের প্লেটে খোদাই করে নকশা তৈরি করা হয়। পরে মোমের ব্লক দিয়ে কাপড়ের উপর ফুটিয়ে তোলা হয় হরেক রকম ডিজাইন। কুমিল্লায় খদ্দর কাপড়ের পাশাপাশি বাটিক কাপড়ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে কয়েক যুগ আগে থেকেই। তবে খাদি কাপড়ের শান হারিয়ে যেতে বসলেও বাটিক তার জৌলুশ ধরে রেখেছে সগৌরবে।

হাতে তৈরি কুমিল্লার বাটিক সর্বজনের কাছে এখনো সেইভাবে পৌঁছাতে পারেনি। তাই নিজ উদ্দোগে চেষ্টা করছি কুমিল্লার বাটিককে সর্বজনের কাছে প্রমোট করতে, দেশীয় ঐতিহ্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে।

কলমেঃ নাসরিন মুন্নি আপা
উনি একজন উদ্যোক্তা এই শিল্পের