কুঞ্জবিহারীর নিকুঞ্জ - পর্ব ০১

in আমার বাংলা ব্লগ4 months ago (edited)


copyright free image source pixabay


এক


গ্রামের নাম বাতাসপুর । এই গ্রামের সব চাইতে চমকপ্রদ ব্যক্তিত্ব হলেন কুঞ্জবিহারী বাবু । তিনি এই গ্রামের বিখ্যাত সায়েন্টিস্ট । গ্রামের মানুষ তাঁর কান্ডকারখানায় প্রায়শই অবাক হয়ে যায় । অবশ্য আগে যেমন গ্রামের মানুষ ঘন ঘন অবাক হতো এখন আর তেমন একটা হয় না । আরে বাপু অবাক হওয়ার একটা লিমিট আছে তো, নাকি ? প্রায় প্রত্যেক রবিবার কুঞ্জবিহারী বাবুর বৈঠকখানা গম গম করে মানুষে । আর তিনি তাঁর লেটেস্ট এক্সপেরিমেন্ট সবার কাছে জাহির করেন । সেই সাথে চলে চা জলখাবারের ঢালাও ব্যবস্থা । নিন্দুকেরা অবশ্য রটায় কুঞ্জবিহারী বাবুর রবিবারের বৈকালিক ও সান্ধ্য মজলিশ এতো জমজমাট হওয়ার মুলে রয়েছে তাঁর বাড়িতে ভাজা ডালপুরি, সিঙ্গাড়া, আলুর চপ, মাছের ডিমের চপ আর মোচা-চিংড়ির বিখ্যাত চপ; সাথে চা চলে এন্তার ।

কুঞ্জবিহারী বাবুরা সাত পুরুষের জমিদার ছিলেন । কুঞ্জবিহারীর দাদু অগাধ সম্পত্তি রেখে গেছেন, ছেলেরা সুপ্রতিষ্ঠিত । কুঞ্জবিহারী বাবু জীবনে কোনো কাজ-কর্ম কিছুই করেননি । শুধু এন্তার কল্পবিজ্ঞানের বই পড়ে গেছেন, আর অজস্র আবিষ্কার করে গেছেন ।স্ত্রী, ছেলে-বৌমা, নাতি-পুতি নিয়ে সে এক বিরাট চাঁদের হাট । নিন্দুকেরা বলে কুঞ্জবাবুর বিজ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞান অতি সামান্য । সেই সামান্য জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তিনি অসাধারণ সব আবিষ্কার করে গেছেন ।

এই যেমন তাঁর বড় নাতি ক্লাস টু'য়ে উঠলে একদিন তার দাদুকে বললো যে, "জানো, দাদু আমরা যে জল খাই তা আসলে হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন নামক দুটো গ্যাস মিলিয়ে তৈরী হয়েছে ।" শুনেই কুঞ্জবিহারী বাবুর ভাবান্তর । অনেক ভেবেচিন্তে তিনি একটা কল তৈরী করলেন । কলটার কাজ হলো জলকে বিশ্লেষণ করে অক্সিজেন আর হাইড্রোজেনে পরিণত করা ।তিনি ভেবে দেখলেন, অনেক রোগী অক্সিজেনের সংকটে কষ্ট পায়, হাসপাতালে নিয়ে তাঁদের অক্সিজেন দেয়া লাগে । অনেক ঝকমারি । তাই তিনি তার সরল যন্ত্রে সকল সমস্যার সমাধান করে দেবেন ।

রাত ন'টায় তাঁর দক্ষিণের ঘরে ডাক পড়লো বড় ছেলে অর্চিষ্মানের । অর্চিষ্মান হলেন একটা নামকরা কলেজের কেমিস্ট্রির অধ্যাপক । বাপকে যমের মতো ভয় পান । তিনি ঘরে ঢোকার পরে কিছুক্ষন বাঘের দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলেন কুঞ্জবিহারী বাবু । তারপরে বাঘাটে গলায় বললেন, "অপদার্থ ।"

"আজ্ঞে !", ভয়ে থতমত খেয়ে বললেন অর্চিষ্মান ।

"সারাদিন কি করো তুমি ? তুমি না একজন কেমিস্ট্রির প্রোফেসর ? কত মানুষ বিনা অক্সিজেনে মারা যাচ্ছে আর তুমি একটা অক্সিজেন তৈরির কল বানাতে পারলে না ?", আবার হুঙ্কার কুঞ্জবিহারী বাবুর ।

"আজ্ঞে এটা তৈরী করতে হলে অনেক হ্যাপা আছে, অনেক সুক্ষ যন্ত্র কি না । অনেক খরচের ব্যাপারও আছে ।"

"কচু !! অপদার্থ । কিছুই জানো না তুমি । ওই দেখো আমি তৈরী করেছি । অতি সরল যন্ত্র । অক্সিজেন জলে থাকে । আমি জল থেকে ছেঁকে বের করেছি ।"

যন্ত্রটা টেবিলের উপরেই ছিলো । সেদিকে বিস্ফারিত চোখে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে শিউরে উঠলেন অর্চিষ্মান ।

"কেমন দেখছো ?"

"আজ্ঞে, খুবই ভালো ।"

"শুধুই ভালো ?"

"আজ্ঞে, অতি প্রয়োজনীয় কাজের জিনিস ।"

"হুম , আচ্ছা যাও ।"

হাত নেড়ে তিনি তাঁর বড়ছেলেকে যাওয়ায় অনুমতি দিলেন । বেশ একটা আত্মতৃপ্তি অনুভব করলেন কুঞ্জবাবু । বরাবরের মতো এবারও তাঁর প্রজেক্ট চারিদিকে সাড়া ফেলে দেবে । তিনি বেশ বুঝতে পারছেন সেটা ।

পরের দিন রবিবারের বিকাল বেলা । যথারীতি চারিদিকে হুলুস্থূল । কুঞ্জবাবু গম্ভীর ভাবে তাঁর বৈঠকখানায় বসে আছেন । অক্সিজেন বিশ্লেষণের যন্ত্রটা তাঁর সামনের টেবিলের পরে রাখা । সবাই আশ্চর্য হয়ে গেছে একেবারে ।

বাতাসপুরের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হেডমাস্টার পরেশনাথবাবু যথারীতি এসে যন্ত্রটা দেখার পরে ফিট । তাঁর মাথায় জল ঢালা হচ্ছে । স্কুলের পদার্থ বিজ্ঞানের ছোকরা শিক্ষক এসে যন্ত্রটা দেখার পরে সমানে হিক্কা উঠছে তাঁর, কিছুতেই থামছে না । কেমিস্ট্রির শিক্ষক গৌরগোপালবাবু যন্ত্রটার দিকে একবার তাকাচ্ছেন পরক্ষনেই শিউরে শিউরে উঠছেন । গ্রামের একমাত্র হোমিওপ্যাথ ডাক্তার বিমলবাবু বাহ্যজ্ঞান শূন্য হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাচ্ছেন যন্ত্রটার দিকে । রক্তাম্বর পরিহিত কাপালিক ব্যোমকালী যন্ত্রটা একবার দেখছে, আর পরমুহূর্তেই "ব্যোম কালী....ব্যোম কালী" বলে হুঙ্কার ছাড়ছে ।

শুধু গাঁয়ের বোষ্টুম গয়েশ্বর গোসাঁই ফিক ফিক করে হাসছে । কুঞ্জবাবুর ছোটবেলাকার বন্ধু সে । হঠাৎ গয়েশ্বর জিজ্ঞেস করে বসলো, "কুঞ্জ, তোমার যন্ত্র টা কাজ করে কি করে ?"

"তুমি তো বোষ্টুম, কি বুঝবে এ সবের ? হুঁ হুঁ বাবা এর নাম সায়েন্স ।"

"একটু বুঝিয়ে দাও না !"

"ঠিক আছে, যত্ত সব গোমুখ্যু । ওই যে বড় জার্ টা দেখছো ওতে আছে খাবার জল । আর ওই দ্যাখো দুটো নল চোবানো আছে জারে । জলের নিচে দেখো একটা হাওয়া পাম্প করার নল ঢোকানো আছে । মুকুন্দ আমার বড় নাতির সাইকেলের পাম্প দিয়ে জলে অক্সিজেন পাম্প করছে । জলের অক্সিজেন ফুরোবে না তাহলে । আর এই ছোট্ট মোটর দিয়ে জলের বাস্প ছিটিয়ে দিচ্ছি নলের মধ্যে । একটা নল দিয়ে অক্সিজেন বেরোচ্ছে, আর অন্যটা দিয়ে হাইড্রোজেন । হুঁ হুঁ বাবা এর নাম সায়েন্স । বুঝলে ?"

বোকা হারান মাস্টার জিজ্ঞেস করলো, "কুঞ্জবাবু, যে অক্সিজেন তৈরী করলেন, সেটা কোথায় ?"

"আরে বোকা, অক্সিজেন কি চোখে দেখা যায় ? ওটা তো বাতাস । আমি যে অক্সিজেন তৈরী করছি সেটা ওই নল দিয়ে বেরিয়ে এসে আবার আমার ওই জারের জলে মিশছে । আবার জল থেকে অক্সিজেন তৈরী হচ্ছে । তাই তো দেখছো জল কমছে না ? একই আছে ।"

কুঞ্জবাবুর ব্যাখ্যা শুনে হেডমাস্টার পরেশনাথ আবার ফিট, এই মাত্র তার জ্ঞান হয়েছিল । সঙ্গে সঙ্গে এসে পড়লো পুরি, চপ, সিঙ্গাড়া ঝুড়ি ভর্তি, সঙ্গে গরমাগরম চা । লোকজন সব হৈ হৈ করে উঠলো । আসর নিমেষে জমে গেলো ।


[ক্রমশ:]

Sort:  

Good!

 4 months ago 

সত্যি তো আমার স্বামীর তো লিখার হাত আছে এটা মানতেই হবে। অনেক সুন্দর একটি গল্প লিখেছো।

 3 months ago 

বাহ ভাবি বেস্ট কমেন্ট ছিল। দাদার সত্যি খুব পছন্দ হবার মতন একটা কমেন্ট আমার মনে হয়। নিজের কাছের মানুষের একটা প্রশংসা সত্যি খুব ভালো লাগে।

 4 months ago 

গল্পের শুরু টা খুবই ভালো লাগছে দাদা।মনে হচ্ছে মজার একটা গল্প লিখতে চলেছেন।প্রথম পর্ব পড়েই খুবই ভালো লাগলো দাদা।ধন্যবাদ আপনাকে দাদা সুন্দর সুন্দর গল্প আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।

 4 months ago 

বেশ ভালো লিখেছো।

 4 months ago 

কুঞ্জবাবু বিজ্ঞান না বুঝলেও প্রযুক্তিটা বেশ ভালোই বোঝেন। কুঞ্জবাবুর কাজগুলো বেশ ভালোই মনে হচ্ছে। কিন্তু পরে কোনদিকে গড়াবে কুঞ্জবাবুর চিন্তা ভাবনা সেটাই দেখার বিষয়। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।

Vai amar id ta verify kore dan. Plz

 4 months ago 

রোমান হরফে বাংলা লেখা নিষিদ্ধ ।

 4 months ago 

বেশ মজার গল্প দাদা।
শেষে এসে বিরাট একটা ধাক্কা খেলাম মনে হলো,কি থেকে কি লিখে ফেললেন!!আপনার লিখার লেভেল দিন দিন বাড়ছে আর বাড়ছে।
জাস্ট অসাধারণ হয়েছে।

 4 months ago 

অনেক সুন্দর একটা গল্প লিখছেন দাদা।পড়ে আমার অনেক ভালো লাগলে।পরের গল্পের জন্য অপেক্ষায় রইলাম দাদ।

 4 months ago 

অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে দাদা, খুবই উপভোগ করেছি। আজ থেকে একটি ব্যতিক্রমী মজার গল্প শুরু হলো, সত্যি খুবই চমৎকার লিখেছেন, অনেক ভালো লেগেছে।

 4 months ago 

বিজ্ঞান এবং একজন বিজ্ঞানীকে তার চেহারা দেখে চেনা খুব মুশকিল । প্রথমত কেউ নতুন কিছু করার চিন্তা করলে প্রথমে সেটা নিয়ে নানান তৃষ্কার চলে আসে কারণ আবিষ্কারের প্রথম অংশ অনেক কঠিন ভাবেই শুরু করতে হয়, তাতে নানা ধরনের বাধা এবং ব্যর্থতা থাকে। বিজ্ঞানীদের এক নিষ্ঠ ভাবে কাজ দেখে অন্য সকল মানুষদের কাছে একটু তিরস্কারই মনে হয় কারণ তারা প্রথমদিকে বুঝে উঠতে পারেনা। তবে এখানে খুব গুরুত্ব সহকারে একটি গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে যে একজন কেমিস্ট চাইলে সে তার বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারবে । ছেলের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তা ফুটে উঠেছে।

যাইহোক গল্পটি অনেক সুন্দর ছিল এবং অনেক কিছু শিখতে পারলাম এবং নিজের বুদ্ধিমত্তা কে কিভাবে কাজে লাগাতে হয় সেটা জানতে পারলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি বিষয় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
 4 months ago 

অনেক সুন্দর একটি গল্প লিখেছেন দাদা। আপনার গল্প লেখার হাত অনেক ভালো। আশা করি সামনে আরো ভালো ভালো গল্প আমাদের মাঝে উপহার দিবেন। সেই প্রত‍্যাশাই ব‍্যক্ত রাখি।

 4 months ago 

যাঁরা ছোটবেলায় শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজের গল্পগুলো পড়েছেন তাঁরা এই গল্পে তার প্রভাব খুঁজে পাবেন । অদ্ভুতুড়ে সিরিজ থেকেই প্রভাবিত হয়ে আমার এই হাসির গল্প লেখা শুরু। সত্যি আমাদের ছোটবেলাটা অদ্ভুত সুন্দর ছিল। পুজো মানেই আনন্দমেলা, আর আনন্দমেলা মানেই ছিল সন্তু কাকাবাবু, শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে, অর্জুন, সঞ্জীবের বড়মামা, শঙ্কু ফেলুদা কমিক্স, অরণ্যদেব আরো কত কি !

 4 months ago 

কুঞ্জবাবুর অক্সিজেন তৈরির কল বানিয়েছেন, এইটার বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই।তবু তাঁর মনটা কিন্তু উদার,সমাজের জন্য কাজ করতে চায় সে।আসলে আবার একটি নতুন কৌতুহলী গল্প আমাদের মাঝে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগলো গল্পের প্রথম পর্ব পড়ে।

 4 months ago 

অনেকেই আছে বিজ্ঞানীদের পাগল বলে এবং পাগল বলার ও যথার্থ ব্যাখ্যা তারা দিয়ে থাকেন তবে এই পাগল মানুষ গুলোর জন্যই আমরা অনেক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছি। কুঞ্জবিহারী এমনই কিছু একটা করবে যাতে আমাদের সবাই অবাক হতে হবে, এই গল্পে তেমন একটি আভাস পাচ্ছি। ধন্যবাদ আপনাকে অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছেন দাদা।

 4 months ago 

বিষয়টাতে কিন্তু আমি একটা সিরিয়াস ইস্যুর ইঙ্গিত পাচ্ছি । কারন অক্সিজেন সল্পতা কিছুদিন আগে ভীষণ ছিল সারাবিশ্বে। হয়তো সেই ইস্যু থেকেই গল্পটা লেখা হয়েছে কিনা আমি জানিনা, তবে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম । কুন্জবাবু যে চেস্টা করছে এটাই তো অনেক বেশি ।

 4 months ago 

গল্পটি পড়ে ভালোই মনে হচ্ছে দাদা। আবার মনে হয় নতুন আরেকটি আবিষ্কারের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুন্জ বাবুর যে বুদ্ধি আছে বলাই যায়। প্রথম পর্ব পরে ভালো লেগেছে দাদা। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ❤️

 4 months ago 

বেশ মজা পাচ্ছি দাদা গল্পটা পড়ে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। লেখক হিসেবে আপনি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ। দারুন দাদা।

 4 months ago 

বেশ মজা পাচ্ছি দাদা গল্পটা পড়ে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। আপনার গল্পটি শুধু মাজার ছিলো না আমার কাছে ছিলো অনেক শিক্ষনীয় বিষয়। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল দাদা।

 4 months ago 

দাদা প্রথমেই শুভেচ্ছা রইল আপনার ও আপনার পরিবারের জন্যে। আমার বই পড়ার অভ্যাস ছিল ছোট বেলা থেকে। আমাদের বাসায় ছোট্ট একটা লাইব্রেরী মতন ছিল কাল ক্রমে বই গুলো বিভিন্ন ভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন শুধু দুটো সেল্ফ আছে। আপনার লেখা পড়তে পড়তে সেই ছোট বেলার সৃম্তি মনে পড়ে গেল। যাই হোক সত্যিই আপনি সুন্দর লেখেন। প্রথম পর্বেই বেশ জমে উঠেছে। অক্সিজেনের যন্ত্র আবিস্কার । পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। ভাল থাকবেন।

 4 months ago 

দাদার আরেকটি নতুন গল্প শুরু হয়ে গিয়েছে। আপনার লেখা গল্প গুলো পড়তে আমার খুবই ভালো লাগে। এই গল্পটি ভালো ছিল দাদা। পরের গল্পের অপেক্ষায় রইলাম।

 4 months ago 

অনেক দারুন লিখেছেন! আমার গল্পটি পড়ে খুবই ভালো লেগেছে।এই গল্পের পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

 4 months ago 

অনেক সুন্দর একটি গল্প আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন দাদা। কুঞ্জবিহারী যে একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তা এই গল্প পড়ে উপলব্ধি করলাম। তার এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চিন্তা একদিন হয়তো বিজ্ঞানকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তার এই ক্ষুদ্র চিন্তাভাবনাকে অনেকেই অবহেলা করছেন। কিন্তু কুঞ্জবিহারীর মধ্যে নতুন কিছু তৈরীর ইচ্ছা শক্তি রয়েছে। তবে আমার মনে হয় এই গল্পটি আগামী পর্বে আরও ইন্টারেস্টিং হবে। আগামী পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

 4 months ago 

দাদা পুরো গল্প মাথার উপর দিয়ে গেলো কিছু বুঝলাম না। হয়তো পরবর্তী পর্বে কিছু হলেও বুঝব

 3 months ago 

দাদার গল্পে বর্ননার ধরনটা খুব ভাল লাগে। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম

 3 months ago 

গল্পটি খুবই সুন্দর দাদা।মজার গল্প।পরের পর্বের অপেক্ষাতে রইলাম।ধন্যবাদ দাদা।

 3 months ago 

গল্পটা খুবই সুন্দর লিখেছেন দাদা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। খুব মজার একটি সুন্দর গল্প। এত সুন্দর একটি গল্প আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

 3 months ago 

মনে হচ্ছে খেলাটা এবার অক্সিজেন নিয়ে হবে। আমি মনে করছি এখানে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য বিশেষ একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আর এই গল্পের শিক্ষা হতে পারে মানবতার সেবা

যার মূল দৃষ্টান্ত আমাদের @rme
পরবর্তী প্রতিটি পর্বের জন্য অপেক্ষায়

 4 months ago 

গল্পটি পড়ে ভালো লাগলো। বিজ্ঞান বিষয়ক একটি গল্প। এই গল্পের মাঝে নতুনত্ব রয়েছে।পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

 3 months ago 

আবিস্কারের ইতিবৃত্তি দেখে ও শুনে সবাই সংঙা হারিয়ে ফেলেন। কুঞ্জ বাবুর বন্ধু গয়েশ্বর বলেন"কুঞ্জ, তোমার যন্ত্র টা কাজ করে কি করে ?" বোকা হারান মাস্টার "কুঞ্জবাবু, যে অক্সিজেন তৈরী করলেন, সেটা কোথায় ?"
কুঞ্জ বাবু এপ্রশ্নের উত্তর দিলেও, তাদের দুজনের মন্তব্য ছাড়াই গল্প ২য় পর্বে পার হলো দেখি তারা কি করে -----

 3 months ago 

দাদা আপনার লেখা গল্পটি বেশ মজার। বিশেষ করে কুঞ্জ বিহারী বাবুর আবিষ্কৃত সরল অক্সিজেন যন্ত্র দেখে বাকি জ্ঞানী ব্যক্তিদের অঙ্গভঙ্গির বিষয়টি বেশ মজার লেগেছে। গল্পটির মধ্যে বেশ নতুনত্ব রয়েছে। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে এত সুন্দর গল্পটি শেয়ার করার জন্য।

 3 months ago 

তাসপুরের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হেডমাস্টার পরেশনাথবাবু যথারীতি এসে যন্ত্রটা দেখার পরে ফিট । তাঁর মাথায় জল ঢালা হচ্ছে । স্কুলের পদার্থ বিজ্ঞানের ছোকরা শিক্ষক এসে যন্ত্রটা দেখার পরে সমানে হিক্কা উঠছে তাঁর, কিছুতেই থামছে না । কেমিস্ট্রির শিক্ষক গৌরগোপালবাবু যন্ত্রটার দিকে একবার তাকাচ্ছেন পরক্ষনেই শিউরে শিউরে উঠছেন । গ্রামের একমাত্র হোমিওপ্যাথ ডাক্তার বিমলবাবু বাহ্যজ্ঞান শূন্য হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাচ্ছেন যন্ত্রটার দিকে । রক্তাম্বর পরিহিত কাপালিক ব্যোমকালী যন্ত্রটা একবার দেখছে, আর পরমুহূর্তেই "ব্যোম কালী....ব্যোম কালী" বলে হুঙ্কার ছাড়ছে ।

এই রকম একটু রস-কস না থাকলে গল্প পড়ে কি মজা পাওয়া যায়, একদমই না। দাদা কিছু বুঝছি আর না বুঝছি এই লাইনগুলো পড়ে বেশ হেসেছি। আসলে কথায় বলে না অল্প বিদ্যা ভয়ংকর, এখানে তাই হয়েছে। দেখা যাক সামনে আর কি কি পাওয়া যায়। ধন্যবাদ

 3 months ago 

দাদা আমি খুব মনো দিয়ে পড়ছিলাম কিন্তু লাস্টে এটা কি হলো। হাহাহাহাহাহ।গল্প টা বেশ মজার হবে মনে হচ্ছে। তবে এটা সত্যি খাবার দিলে মানুষ ভিড় জমাবে সে যাই হোক না ক্যান।

Coin Marketplace

STEEM 0.40
TRX 0.07
JST 0.051
BTC 42329.52
ETH 3157.69
USDT 1.00
SBD 4.68